ডাউনলোড করুন আপনাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড নাউ!

Cardiovascular System

সার্কুলেটরি বা কার্ডিওভাসকুলার সিস্টেম।

মানবদেহের কার্ডিওভাসকুলার বা রক্ত সংবহনতন্ত্র (Cardiovascular System)

সার্কুলেটরি, কার্ডিওভাসকুলার বা রক্ত সংবহনতন্ত্র (Circulatory System): এটি মানবদেহের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি সিস্টেম। এই সিস্টেমের মাধ্যমে হৃদপিণ্ড (Heart), ধমনি (Artery) ও শিরা (Vein) সমূহ রক্ত সংবহন করে শরীরের সব স্থানে প্রয়োজনীয় অক্সিজেন ও খাদ্য উপাদান সরবরাহ করে। পাশাপাশি সেইসব স্থান থেকে শরীরের বর্জ্য পদার্থ (যেমন: কার্বন ডাই অক্সাইড, ইউরিয়া) বের করে আনার জন্য ফেরত নিয়ে আসে।

আমরা যে হার্টবিট (Heartbeat) শুনতে পাই, তা মূলত একবার হৃদপিন্ডের সংকোচন ও প্রসারণের শব্দ। একজন সুস্থ স্বাভাবিক মানুষের হার্টবিট প্রতি মিনিটে গড়ে ৭০ থেকে ৭৫ বার হয়ে থাকে।

ব্লাড বা রক্ত (Blood) কী?

রক্ত হৃদপিণ্ড থেকে রাবারের মতো নল বা ধমনীর মাধ্যমে শরীরের প্রত্যেকটি স্থানে পৌঁছায়। তদ্রুপ শরীরের সব স্থান থেকে শিরার মাধ্যমে রক্ত পুনরায় হৃদপিণ্ডে ফিরে আসে। রক্ত মূলত এক ধরনের তরল যোজক কলা (Liquid Connective Tissue)

রক্তে প্রধানত তিন ধরনের কণিকা থাকে:

  1. লোহিত রক্তকণিকা বা রেড ব্লাড সেল (RBC - Red Blood Cell)
  2. শ্বেত রক্তকণিকা বা হোয়াইট ব্লাড সেল (WBC - White Blood Cell)
  3. অণুচক্রিকা বা প্লাটিলেট (Platelet)

নোট: লোহিত রক্ত কণিকায় 'হিমোগ্লোবিন' নামক উপাদান থাকায় রক্তের রং লাল হয়। এর জীবনকাল ৪ মাস বা ১২০ দিন। সেজন্য প্রতি ৪ মাস পর পর একজন পূর্ণবয়স্ক সুস্থ ব্যক্তি নিশ্চিন্তে রক্ত দান করতে পারেন।

রক্ত সংবহন তন্ত্রের প্রধান কাজসমূহ

  • শরীরের প্রতিটি কোষে পুষ্টি উপাদান, অক্সিজেন এবং হরমোন পৌঁছে দেওয়া।
  • পরিপাকীয় বর্জ্য পদার্থ শরীর হতে নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা।
  • শ্বেত রক্ত কণিকার মাধ্যমে শরীরে জীবাণুর বিপরীতে শক্তিশালী রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তোলা।
  • শরীরের স্বাভাবিক তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করা।
  • রক্ত জমাট বাঁধার প্রক্রিয়াকে (প্লাটিলেটের কাজ) কাজে লাগিয়ে যে কোনো ক্ষতে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ প্রতিরোধ করা।

রক্তচাপ বা ব্লাড প্রেসার (Blood Pressure)

হৃদপিন্ডের সংকোচন ও প্রসারণের ফলে হৃদপিণ্ড থেকে ধমনীর মাধ্যমে রক্ত প্রবাহিত হওয়ার সময় ধমনীর প্রাচীরে যে চাপের সৃষ্টি হয়, তাকেই রক্তচাপ বা ব্লাড প্রেসার বলে।

  • সিস্টোলিক (Systolic): ১০০ থেকে <১৪০ মিলিমিটার মার্কারি (mmHg)
  • ডায়াস্টোলিক (Diastolic): ৬৫ থেকে <৯০ মিলিমিটার মার্কারি (mmHg)

যে যন্ত্রের সাহায্যে মানবদেহের রক্তচাপ মাপা হয় তার নাম স্ফিগমোম্যানোমিটার (Sphygmomanometer) বা বিপি মেশিন।

রক্তের গ্রুপ (Blood Group)

বিভিন্ন পদ্ধতিতে রক্তকে ভাগ করা যায়। তবে চিকিৎসাবিজ্ঞানে প্রধান যে ২টি পদ্ধতিতে ভাগ করা হয় সেগুলো হলো ABO সিস্টেম এবং Rh সিস্টেম।

১. ABO সিস্টেমে রক্তের গ্রুপ (৪ প্রকার):

  • A গ্রুপ
  • B গ্রুপ
  • AB গ্রুপ
  • O গ্রুপ

২. Rh সিস্টেমে রক্তের গ্রুপ (২ প্রকার):

  • Rh পজেটিভ (Rh +ve)
  • Rh নেগেটিভ (Rh -ve)

বিভিন্ন রোগে বা প্রয়োজনে রোগীর শরীরে অন্য সুস্থ মানুষের রক্ত পরিসঞ্চালন (Blood Transfusion) করা হয়। এজন্য দেহে রক্ত দেওয়ার আগে রক্তের গ্রুপ জানা অত্যন্ত জরুরী। কারণ ভুল গ্রুপের রক্ত অন্য কারো দেহে প্রবেশ করালে তার মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।

রক্ত সংবহনতন্ত্রের সাধারণ রোগসমূহ (Common Diseases)

এই সিস্টেমের সাথে জড়িত সাধারণ ও জটিল রোগগুলো হলো:

  • বুকের ব্যথা বা অ্যানজাইনা (Angina)
  • হার্ট অ্যাটাক (Heart Attack)
  • হার্ট ফেইলিওর (Heart Failure)
  • এরিদমিয়া (Arrhythmia)
  • কনজেনিটাল হার্ট ডিজিজ (জন্মগত হৃদরোগ)
  • অ্যানিমিয়া (রক্তাল্পতা)
  • লিউকেমিয়া (ব্লাড ক্যান্সার)
  • ব্লিডিং ডিজঅর্ডার
  • কোয়াগুলেশন ডিজঅর্ডার

Rate This Article

Thanks for reading: Cardiovascular System, Sorry, my English is bad:)

Getting Info...

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

আপনার মতামত জানান
Cookie Consent
We serve cookies on this site to analyze traffic, remember your preferences, and optimize your experience.
Oops!
It seems there is something wrong with your internet connection. Please connect to the internet and start browsing again.
AdBlock Detected!
We have detected that you are using adblocking plugin in your browser.
The revenue we earn by the advertisements is used to manage this website, we request you to whitelist our website in your adblocking plugin.
Site is Blocked
Sorry! This site is not available in your country.